• শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • ঢাকা, বাংলাদেশ
নির্বাচনে পূর্বাপর সহিংসতা আওয়ামী ‘শান্তিপূর্ণ’ নির্বাচনের নমুনা
নির্বাচনে পূর্বাপর সহিংসতা আওয়ামী ‘শান্তিপূর্ণ’ নির্বাচনের নমুনা

  আন্দোলন প্রতিবেদন  

সোমবার, ১৮ মার্চ ২০২৪  |  অনলাইন সংস্করণ

নির্বাচনের পূর্বাপর সহিংসতা চলছেই। এই সহিংসতা চলছে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও আওয়ামী ডামি প্রার্থী সমর্থক নেতা-কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে। নির্বাচনী সহিংসতায় আক্রমণকারী, আক্রমণের শিকার এবং আহত-নিহতের সবাই আওয়ামী লীগের নেতা, কর্মী ও সমর্থক। নির্বাচনী সহিংসতায় নিহত-আহত হওয়া ছাড়াও নির্বাচনি কার্যালয় ভাঙচুর, বাড়িতে হামলা, লুটাপাট এমনকি ফসলের ক্ষতি করার ঘটনাও ঘটেছে। শারীরিক নির্যাতনের পাশাপাশি নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার, গবাদিপশুসহ আসবাবপত্র লুটপাট হয়েছে।

 বেসরকারি সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআর এসএস) সংস্থার হিসাব অনুসারে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের তফসিল ঘোষণার পর থেকে গত ১৫ জানুয়ারি’২৪ পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন জেলায় নির্বাচনি সহিংসতায় অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন ২ হাজার ২০০ জনের বেশি মানুষ। গুলিবিদ্ধ হয়েছেন শতাধিক। ৩৫০টির বেশি ঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। তাদের তথ্যমতে ৩৯টি জেলায় সংঘাতের তথ্য পাওয়া গেছে। নৌকায়/ঈগলে ভোট দেয়ার জন্য সারাদেশের বিভিন্ন জেলার  হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর  হামলা হয়েছে, তাদের বাড়ি-ঘর-প্রতিমা ভাঙচুর করা, কুপিয়ে আহত করা, তাদের কয়েক লক্ষ টাকার গবাদি পশু কেড়ে নেয়া হয়েছে। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন জায়গায় নির্বাচনের প্রার্থী, পোলিং এজেন্ট, প্রিসাইডিং কর্মকর্তারাও আক্রমণের শিকার হন। ভোটের দিন দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ৩০ জনের বেশি সাংবাদিক আক্রমণ, লাঞ্ছনা ও হুমকির সম্মুখীন হয়েছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামন বলেছে– “এবারের ভোটটা খুব সুষ্ঠু হয়েছে। ভোটের পর যা হয়েছে, সেটা সমর্থকদের উত্তেজনার ফল!” হাসিনা-আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকার প্রতিপক্ষ বিরোধীদের ঠেঙ্গাতে দলীয় নেতা-কর্মীদের যে ফ্যাসিবাদে শিক্ষিত করেছে, এখন তার  বলি হচ্ছে নিজ দলের নেতা-কর্মী-সমর্থকগণ। প্রধানমন্ত্রী এখন অনুরোধ-নসিহত করেও কোন্দল-সহিংসতা রোধ করতে সক্ষম হচ্ছে না। এই হচ্ছে তাদের সুষ্ঠু-শান্তিপূর্ণ ভোটের গলাবাজির নমুনা। –১৯/১/’২৪

নির্বাচনে পূর্বাপর সহিংসতা আওয়ামী ‘শান্তিপূর্ণ’ নির্বাচনের নমুনা

 আন্দোলন প্রতিবেদন 
সোমবার, ১৮ মার্চ ২০২৪  |  অনলাইন সংস্করণ

নির্বাচনের পূর্বাপর সহিংসতা চলছেই। এই সহিংসতা চলছে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও আওয়ামী ডামি প্রার্থী সমর্থক নেতা-কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে। নির্বাচনী সহিংসতায় আক্রমণকারী, আক্রমণের শিকার এবং আহত-নিহতের সবাই আওয়ামী লীগের নেতা, কর্মী ও সমর্থক। নির্বাচনী সহিংসতায় নিহত-আহত হওয়া ছাড়াও নির্বাচনি কার্যালয় ভাঙচুর, বাড়িতে হামলা, লুটাপাট এমনকি ফসলের ক্ষতি করার ঘটনাও ঘটেছে। শারীরিক নির্যাতনের পাশাপাশি নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার, গবাদিপশুসহ আসবাবপত্র লুটপাট হয়েছে।

 বেসরকারি সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআর এসএস) সংস্থার হিসাব অনুসারে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের তফসিল ঘোষণার পর থেকে গত ১৫ জানুয়ারি’২৪ পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন জেলায় নির্বাচনি সহিংসতায় অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন ২ হাজার ২০০ জনের বেশি মানুষ। গুলিবিদ্ধ হয়েছেন শতাধিক। ৩৫০টির বেশি ঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। তাদের তথ্যমতে ৩৯টি জেলায় সংঘাতের তথ্য পাওয়া গেছে। নৌকায়/ঈগলে ভোট দেয়ার জন্য সারাদেশের বিভিন্ন জেলার  হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর  হামলা হয়েছে, তাদের বাড়ি-ঘর-প্রতিমা ভাঙচুর করা, কুপিয়ে আহত করা, তাদের কয়েক লক্ষ টাকার গবাদি পশু কেড়ে নেয়া হয়েছে। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন জায়গায় নির্বাচনের প্রার্থী, পোলিং এজেন্ট, প্রিসাইডিং কর্মকর্তারাও আক্রমণের শিকার হন। ভোটের দিন দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ৩০ জনের বেশি সাংবাদিক আক্রমণ, লাঞ্ছনা ও হুমকির সম্মুখীন হয়েছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামন বলেছে– “এবারের ভোটটা খুব সুষ্ঠু হয়েছে। ভোটের পর যা হয়েছে, সেটা সমর্থকদের উত্তেজনার ফল!” হাসিনা-আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকার প্রতিপক্ষ বিরোধীদের ঠেঙ্গাতে দলীয় নেতা-কর্মীদের যে ফ্যাসিবাদে শিক্ষিত করেছে, এখন তার  বলি হচ্ছে নিজ দলের নেতা-কর্মী-সমর্থকগণ। প্রধানমন্ত্রী এখন অনুরোধ-নসিহত করেও কোন্দল-সহিংসতা রোধ করতে সক্ষম হচ্ছে না। এই হচ্ছে তাদের সুষ্ঠু-শান্তিপূর্ণ ভোটের গলাবাজির নমুনা। –১৯/১/’২৪

আরও খবর
 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র